শুভেচ্ছা বার্তা (দ্বিতীয় পর্ব )




পোস্ট বার দেখা হয়েছে




=== 🍁===🍁===🍁====🍁===🍁====




🌼শুভেচ্ছা বার্তা

ভাষা ও সাহিত্য সংস্কৃতির প্রতি, বাঙালির শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা চিরন্তন আবেগ জড়িত। অনেকটাই প্রাণের স্পন্দন।স্বদেশ ছাড়া প্রবাসী বাঙালীরাও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগী। ১৯৬১ সালে বাবার চাকরি সূত্রে আমরা জব্বলপুরে আসি। প্রবাসী বঙ্গীয় সংসদ নামে এক ক্লাবের সাথে যুক্ত হই। নামকরা স্বনামধন্য লেখক লেখিকার বই ও দেওয়াল পত্রিকা ওরা আমার কাছে চেয়েছিলো। সেই থেকে সাহিত্য চর্চা শুরু হলো আদান-প্রদানের মাধ্যমে। চাকরিক্ষেত্রে অনেক যায়গা ঘুরেছি। যেমন দিল্লি, মুম্বাই কিন্তু সাহিত্য চর্চাটা বজায় রেখেছিলাম। সব শেষে রাজকোটে আমার লাস্ট পোস্টিং। এখানে ২০০৫ সালে রিটায়ার করি (১৯৮৮ - ২০০৫)। এখানেই থেকে গেলাম স্থায়ী ভাবে। বেঙ্গলী ক্লাব ও ওই ধরণের সাহিত্য প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িয়ে ছিলাম সাহিত্যের চর্চায় নিজের ভালোলাগা একান্ত মননের চাহিদায়। অসীম এক পরিতৃপ্তিতে আমি সব দুঃখ সুখে অমৃতধারায় মিশে থাকতাম ব্যাক্তিগত পরিধি জুড়ে। 

২০১৪ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণে যোগ দিলাম। আজো পর্যন্ত আমি অবিচ্ছিন্ন ভাবে রয়ে গেছি দর্পণের সাহিত্যের অঙ্গনে। দর্পণকে যত দেখি, এখানে প্রতিটি কবি সাহিত্যিকের সৃষ্টি আমাকে মুগ্ধ করে। সাহিত্য ছাড়াও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড দর্পণকে মানবতার দিশারী করে তুলেছে। মানুষের সেবায় নিয়োজিত যেকোনো দুর্যোগের দিনে দর্পণ শুধু নিজের দেশেই নয় বাংলাদেশেও পৌঁছে দিচ্ছে ত্রাণ। সাহিত্যের পাশাপাশি জনদরদী হয়ে ওঠা মুমূর্ষু মানুষের হৃদয় ছোঁয়া! এমন কর্মকান্ডে দর্পণের সাথে চিরদিন থাকবো আমিও কিছুটা হলেও প্রতিজ্ঞ। সবরকম সেবায়ত কান্ডারী বলা চলে বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণ। আশারাখি শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবীর কোণায় কোণায় পৌঁছে যাবে দর্পণ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে। মানুষের বিশ্বাসের জায়গা করে নিতে পেরেছে দর্পণ অক্লান্ত পরিশ্রমে। ভালোবাসা দিয়ে ভরে উঠেছে দর্পণ অঙ্গন।  

বাংলাদেশ তথা অন্যান্য দেশেও দর্পণের জয়জয়কার। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, সাহিত্যের দিশারী বলতে আমারও বুক ফুলে ওঠে, গর্ব হয় এমন এক সাহিত্য প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে। এখন দর্পণ গুগলেও স্থান করেছে নিজস্ব ব্লগে। দর্পণের সম্পাদক সভাপতি কবি দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য আমার অনুজ প্রতিম। স্নেহ ও ভালোবাসা সবসময়। ওর অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে উঠেছে আজকের দর্পণ। সঙ্গে জয়তী, দেবলীনা,আজাদ,বৈশালী, স্বপ্না, নাহার আলম, অরিজিৎ, তন্ময়, লীনা সাহা, আসাদ, আরো যারা আছে তাদের জন্য অনেক ভালোবাসা রইলো। সবার একনিষ্ঠ দায়িত্ববোধ, দর্পণের প্রতি ভালোবাসা এবং নিরন্তর পরিশ্রম আমাকে মুগ্ধ করে। দর্পণ কালজয়ী হোক, এই পথচলা যেন সূদুরপ্রসারী হয় সেই কামনা করি। সাহিত্যের হাত ধরে বহু কবি সাহিত্যিকের সমাগম হোক, অনেক অনেক সৃষ্টি হোক কবিতা, গল্প আলোকিত হোক দর্পণের স্বপ্নময় অঙ্গন।।
                         
                           পার্থসারথি ঘোষ
                                উপদেষ্টা 

=== 🍁===🍁===🍁====🍁===🍁====


🌼শুভেচ্ছা বার্তা
"বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণ "-- আমার প্রাণপ্রিয় সাহিত্য পরিবার। এই পরিবারের হাত ধরেই আমার সাহিত্যের আঙ্গিনায় আগমন। সাহিত্যের জগতে " বঙ্গীয় সাহিত্য পরিবার " এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। সাহিত্যের জগতে আমার সাফল্যের সোপান বলে যদি কিছু থাকে, -- তা এই সাহিত্য পরিবারের হাত ধরেই আমার ঝুলি ভরে নেওয়া। এই সাহিত্য পরিবারের কাছে তাই আমি ঋণী, চির কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁদের সকলকে---  যাদের অফুরন্ত কায়ক্লেশ পরিশ্রমে এই পরিবার প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলার পথে ব্রত। শুধু ভারত, বাংলাদেশ নয়, এর পরিধি আজ বিশ্বের সর্বত্র---
"বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণ " বিশ্ব মানের মর্যাদায়।
আমি গর্বিত --- এই পরিবারের সম্মানিত সদস্য হতে পেরে। আগামী দিনগুলোতে এই পরিবারের জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে, দিনের আলোর মতো পরিষ্কার । শুভ কামনায় পরিবারের সকলের সুন্দর, সুস্থ জীবন কামনা করছি।
                                 
                             কবি মৃণালকান্তি পণ্ডিত 

=== 🍁===🍁===🍁====🍁===🍁=


🌼শুভেচ্ছা বার্তা

'বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণ'' আমার অনেক প্রিয় একটি সাহিত্য গ্রুপ। আমি দীর্ঘ কাল এই গ্রুপের সাথে আছি। বাংলাদেশ ও পশ্চিম বঙ্গের সাহিত্য অঙ্গন ছাড়িয়ে  বাংলাসাহিত্যের  কবি লেখক গন পরিচিতি লাভ করেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।  পাঠক সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণের। বাংলাদেশের একুশে বইমেলায় বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণের বইয়ের ''সাধের খাতা'' বিশ্ব অনু কবিতা সংকলন এর মোড়ক উন্মোচনে  ২০১৯ সালে আমি সক্রিয় অংশ গ্রহন করি। ২০২০ সালেও-- ছিলাম।   
গ্রুপের পরিচালক কোলকাতা শাখার দেবাশীষ ভট্টাচার্য ও বাংলাদেশ শাখার AK Azad ভাইয়ের তত্বাবধানে এবং গ্রুপের এডমিনদের আন্তরিকতায় খুব সুন্দর ভাবে সফলতার উচ্চ শিখরে এগিয়ে চলছে।   আমি এই গ্রুপের সদস্য হতে পেরে অনেক আনন্দিত ও গর্বিত।

                           


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

3 মন্তব্য

  1. এই মন্তব্যটি লেখক সরিয়েছেন।

    উত্তর দিনমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. "#বঙ্গীয়_সাহিত্য_দর্পণ"-কে ভালোবাসি। ভালবাসি এই সাহিত্য অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত সকল কর্মকর্তা থেকে প্রতিটি সদস্যকে, দর্পণের প্রতিটি কর্মযঞ্জ প্রয়াসকে। আমি সৌভাগ্যবান বিশেষ করে#প্রথম_ব্যক্তিত্ব_হিসেবে সকলের ভালোবাসায় দীর্ঘদিন এই দর্পণের "#প্রধান_উপদেষ্টা"- পদে আসীন থেকে দায়িত্ব ভার পরিচালনা করতে পেরে। ব্যক্তিগত কাজকর্মের পাশাপাশি এবং বয়সের ভারে "#দর্পণ_প্রধান_উপদেষ্টা" পদ পরিচালনা করা আমার পক্ষে একসময় বেশ কঠিন হয়ে উঠেছিল, দায়িত্ব পালন করা বেশ দুরূহ হয়ে উঠে। তাই স্ব-ইচ্ছায় এই পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলাম, পরিশেষে দর্পণের প্রিয়জনেরা আমার আবেগকে সম্মান জানিয়ে অব্যাহতি দেয়। " মুকুট পরা সহজ, কিন্তু ত্যাগ করা খুব কঠিন" ---এই বাস্তব সত্যটা আজও উপলব্ধি করি। তাই দর্পণের সুখে দুঃখে আজীবন আছি, থাকবো-- এ আমার বিশ্বাস। পার্থসারথি ঘোষ মহাশয় --- একজন বিচক্ষণ, দক্ষ ব্যক্তিত্ব এবং একজন যোগ্য ব্যক্তিত্ব আমার উত্তরসূরি হতে পারায় আমি খুব খুশি, আনন্দিত। উনাকে স্বাগত শুভেচ্ছা জানাই।আশাকরি উনি অত্যন্ত কর্মদক্ষতার সাথে, সার্বিক ভাবে এই দর্পণের পাশে থেকে দর্পণকে বিশ্বমানের পর্যায়ে উত্তরোত্তর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সংকল্পে ব্রতী থাকবেন, আমার অসমাপ্ত কাজকে সুন্দর করে পরিচালনায় সমৃদ্ধ করবেন, প্রয়োজনে সদুপদেশের ক্ষেত্রে আমার সহযোগিতা অবশ্যই থাকবে। দর্পণ এগিয়ে যাবে, দর্পণ চিরকাল এগিয়ে থাকবে--- এই দৃঢ় বিশ্বাস আমার প্রতিপলে। এই দর্পণের সাথে যুক্ত আমার অতি স্নেহধন্য এপাড়-ওপাড় দুই বাঙলা ভাষাভাষী দেশে থেকেও প্রিয় বোন দেবলীনা থেকে নাহার আলম,প্রিয় ভাই দেবাশীষ থেকে এ.কে. আজাদ, লীনা সাহা, জয়তী দাস, অলিপা পাল প্রমুখ অন্যান্য সকলের প্রতি রইলো আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ভালোবাসা। ভালোবাসা জানাই দর্পণের সকল সদস্য/সদস্যাদের। দর্পণের প্রতি রইলো আমার আন্তরিক শুভকামনা।

      মুছুন



  2. সমৃৃদ্ধ হলাম শুভেচ্ছা বার্তায়
    আন্তর্জাতিক বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণ
    পত্রিকা ও সমাজ সেবা,উৎকৃৃষ্ট লেখা ও জীবনের ঝুকি নিয়ে সমাজ সেবা...
    কালজয়ী সাফল্য আসুক সম্পাদক দেবাশীষ ভট্টাচার্য ও পরিচালক মণ্ডলী এবং সাধারণ সদস্যের হাত ধরে

    উত্তর দিনমুছুন